মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মসূচীর কারণে ঈশ্বরগঞ্জে বাড়ছে মাছ চাষ

প্রকাশিতঃ 4:18 pm | August 18, 2018 | ১২৮

বাঙালির খাদ্য তালিকায় মাছ অন্যতম।আমাদের খাদ্যের আমিষের যোগানের পাশাপাশি রাখছে জিডিপিতে অবদান।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে একসময় প্রাকৃতিক জলাশয়ের কারনে অধিক পরিমানে মাছ উৎপাদন হলেও বর্তমানে প্রাকৃতিক জলাশয় গুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত মাছের পরিমাণ দিন দিন কমে আসছে।

বর্তমানে ঈশ্বরগঞ্জ মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মসূচীর কারণে ব্যাপকভাবে বাড়ছে মৎস্য চাষ। নারী পুরুষদের মৎস্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনী খামার স্থাপন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা,জলাশয়ে পোনা অবমুক্তকরণ, রোগ প্রতিরোধক বিষয়ে প্রশিক্ষণের ফলে গত অর্থ বছরে ঈশ্বরগঞ্জে ১৯৪৭০ মিট্রিক টন মৎস্য উৎপাদন হয়েছে বলে অফিসসূত্রে জানা যায়।

উপজেলার ২১৮৯ হেক্টর জমিতে ১৪৯১৬ টি ছোট বড় পুকুরে রুই কাতল মৃগেল কালা বাউস বাটা সিলভার কাপ ঘাস কাপ শিং পাবদা গুলসা পাঙ্গাস তেলাপিয়া থাই/ ভিয়েতনামি কই চাষাবাদ হচ্ছে। চাষকৃত মাছ উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি হচ্ছে। মৎস্য চাষাবাদ ও মৎসের খাবার ব্যবসায় সম্প্রসারণের ফলে হাজার হাজার বেকারের কর্মসংস্থান হচ্ছে।

এছাড়াও রেণু ও পোনা উৎপাদন হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে যা দেশের অন্যান্য জায়গায় রপ্তানি হচ্ছে। উক্ত পেশা অধিক লাভজনক হওয়ায় আবদি জমি কেটে পুকুর তৈরি করা হচ্ছে। অনেক জায়গায় ফসলের পাশাপাশি জমির মাটি কয়েকফুট গর্ত করে বর্ষা মৌসুমে মাছ চাষ এবং বোরো মৌসুমে ধানের ধানের আবাদ করছে কৃষক।

উপজেলার আশ্রবপুর গ্রামের জেলে মাহতাব উদ্দিন (৬৫) বলেন, প্রাকৃতিক ভাবে উৎপাদিত মাছের জন্য অভয়াশ্রম করা হলে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত মাছের পরিমাণ বাড়বে।

মাছ চাষ বৃদ্ধি সম্পর্কে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এএস এম সানোয়ার রাসেল জানান, বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণের ফলে এ উপজেলায় মাছ চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।