জননেতা “আলহাজ্ব মোশতাক আহমেদ রুহী’ ত্যাগের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র”

প্রকাশিতঃ 10:38 pm | July 31, 2018 | ৯৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৫৭ নেত্রকোনা -১ দুর্গাপুর – কলমাকান্দা জননেতা “আলহাজ্ব মোশতাক আহমেদ রুহী”। মোশতাক আহমরদ রুহী একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শীক সৈনিক। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে ছাত্ররাজনীতি শুরু করেন। শতবাধা অতিক্রম করে এগিয়ে গিয়েছে তবুও অন্যায়ের কাছে অপোষ করেননি। মোশতাক আহমেদ রুহী ‘ তিনি এরশাদ রিরোধী আন্দোলনের ভিতর দিয়ে ছাত্ররাজনীতি শুরু করেন। এরশাদ বিরোধী গনঅভ্যুথানদ বিক্ষুব্ধ মিছিলে জীবন বাজী রেখে আন্দোলন করেছেন। পুলিশের গুলিতে বন্ধুদের হত্যার জীবন্ত সাক্ষী হয়ে আছেন। রুহী যেমন ছিলেন মেধাবী ত্যাগী অন্য দিকে একজন দক্ষ সংগঠক।

তিনি নিবার্চিত হয়েছেন ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এজিএস ও পরে রেকর্ড সংখ্যাক ভোট পেয়ে নিবার্চিত হয়েছেন ভিপি। বিএমপি – জামাত জোট সরকারের দুঃশাসনের আমলে দিনের পর দিন খেয়ে না খেয়ে হাওয় কখনো পাহাড় আবার কখনো কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ঝিনাইদহ গফরগাঁও বন্ধুদের মেসে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। মিথ্যা বানোয়াট রাজনীতিক মামলায় শিখার হয়েছেন, সরকারী ছুটি ব্যতীত প্রায় প্রতিদিনই কোর্টের বারান্দায় দেখা যেত রুহীকে।

২১ শে আগষ্ট জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নৃশংসতম ভাবে গেনেট হামলা করে ততকালীন বিএমপি- জামাত জোট সরকার। এই হামলার প্রতিবাধ করতে রাজপথে যাপীয়ে পরে মোশতাক আহমেদ রুহী।

২০০৭ সালে ১২ ই জানুয়ারি তও্বাবধায়ক সরকার গঠন করে, যাহা ১/১১ নামে পরিচিত। শুরুহয় বাংলাদেশে নতুন করে এক কালো অধ্যায়। এ দুঃসময়ে ফখরুদ্দিনের সেনা সমর্থিত সরকার অন্যায় ভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে। সেদিন রাত ১০ টা পর্যন্ত বাসভবন সুধাসদনের উচ্চকন্ঠ স্লোগান দেন মোশতাক আহমেদ রুহী। যতদিন নেত্রী জেলে ছিলেন, নেত্রীর মুক্তির জন্য নিজের জীবন বাজী রেখে রাজপথে নেমে পরেন, শপথ গ্রহন করেন, নেত্রীকে মুক্ত না করে ঘরে ফিরবেন না। অসংখ্যা ত্যাগের উজ্জল নক্ষত্র হয়ে আছেন মোশতাক আহমেদ রুহী।

২০০১ সাল নিবার্চনে এ দুর্গাপুর – কলমাকান্দা আসনটি বিএমপির দখলে চলে যায়, পরবর্তীতে বিভিন্ন ঘঠনার মধ্যদিয়ে এই আসনটি বিএনপি ঘাঠি হিসাবে চিহৃিত হয়। এই কোনটাসা অবস্তায় ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে জননেত্রী শেখ হাসিনা তরুন ঘুবলীগ নেতা মোশতাক আহমেদ রুহী হাতে তুলেদেন নৌকা প্রতীক। তিনি দক্ষতা সাথে তৃণমুল নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্রি্চাবাচনেলনা করেন, তারফল সরুপ বিএনপি – জামাত জোট সরকারের কাছে হারিয়ে যাওয়া আসনটি প্রায় ৫৬০০০হাজার ভোট ব্যবধানে নৌকা বিজয়ী করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেন।

৯ ম জাতীয় সংসদ সদস্য নিবার্চনের পরপর এই দুর্গাপুর – কলমাকান্দা অবহেলিত জনপথের উন্নয়নে মনোনিবেশ করেন। রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ,কালভাট। মসজিদ,মাদ্রাসা, মন্দির, স্কুল কলেজ,বিদু্্যৎ বিশেষ নজর দেন। তিনি সকল ধর্মবর্ন নির্বিশেষ ঐক্য প্রতিষ্টা করেন। আইনের শাসন প্রতিষ্টা করেন ও মিথ্যা মামলা থেকে সাধারন মানুষকে হইরানি মুক্ত করেন। মাদকদ্রব্য, চোরাইচালান শুনের কোটায় আনেন।তিনি পযর্টন শিল্প বিকাশের নানা প্রচার প্রসারের পদক্ষেপ গ্রহন করেন। সাধারন মানুষের সুচিকিৎসক প্রয়োজনীয় ঔষদের ব্যবস্তা করে দেন। গরিব অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে উপবৃতি প্রদান করেন। দুর্নীতি ঘুষ অত্যাচারের বেড়া জাল থেকে দুৃর্গাপুর – কলমাকান্দাকে বের করে নিয়ে আসেন। মোশতাক আহমেদ রুহী জাতীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সম্মানা প্রদান করেছেন।

জাতীয় ভাবে প্রথম ঐতিহাসিক নাজিরপুর যুদ্ধ দিবসের উদ্দ্যেগ গ্রহন করে ও ব্যস্তবায় করেন। শহীদের সরনে তিনি একটি স্মৃতিস্তম্ভ নিমার্ন করেন। সাত শহীদের মাজার বিজয়পুরে বদ্ধভুমি যা মানুষেন অজানা ছিলো তিনি প্রথম জাতীয় সাংসদে উপস্হাপন করেন। মোশতাক আহমেদ রুহী দুৃর্গাপুর – কলমাকান্দা রাজনীতিক ভাবে তিনি দক্ষতা পরিচয় দিয়েছেন।নেত্রকোনা ১ এই আসনটিতে – সবসময় মারামারি, কাটাকাটি,হানানানি,গ্রুপিং, প্রতিহিংসা রাজনীতি চলতে দেখা যেতো এতে সাধারন মানুষ ছিলো অতিষ্ট। রুহী এই সব অন্যায় দলবল নিবিশেষে শক্তহাতে নিয়ন্ত্রণ করেন। সাংগঠনিক ভাবে দলকে শক্তিশালী করেন ও সুস্হ ধারার রাজনীতি প্রচলন করেন।

দুৃর্গাপুর – কলমাকান্দা সাধারন মানুষের কিছু কথা. বৃদ্ধ চাচাদের মুখে শুনা যায়- স্বাধীনতার পর রুহী সাহেবের আমলে যে স্বাধীনতা ভোগ করেছে তা বিগত কোন সময়ভোগ করতে পারেনি। আইন শৃঙ্খল ছিলো অত্যান্ত ভাল,কোন রকম চুরি অবিচার ছিলো না। রাতে দরজা খোলে শান্তিতে ঘুমানো যেতো। কৃষক- চাষীদের কথা- রুহী সাহেবের আমলে সার, বীজ, কৃীতনাশক, তেলের কোন সমস্যা হয় নাই। তিনি প্রতিটা ওয়ার্ডে ১ টি করে সারের সাব-ডিলারের ব্যবস্তা করে দিয়েছেন। সুশিল সমাজের কথা- রুহী সাহের আমলে যে পরিমান উন্নয়ন হয়ছে তা স্বাধীনতার পর কেউ চোখে দেখে নাই। রুহী সাহেব যদি ১০মম জাতীয় সাংসদ সদস্য প্রতিনিধিত্ব করতো তাহলে বিগত ৫ বছরে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বর্তমানে ৪ বছরে স্বয়ংসম্পূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন উপহার দিতো দুৃর্গাপুর – কলমাকান্দাবাসীকে।

তৃণমুল আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের কথা – রুহী সাহেবের আমলে কোনরুপ চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি, বালুরঘাট দখল,মারামারি, দাঙ্গা- হাঙ্গামা এই সব কিছু ছিলো না। তিনি একজন সৎ মেধাবী আদর্শবান ত্যাগী নেতা। তৃণমুল নেতা কর্মীদের কে তিনি সর্বচ্চ মুল্যায়ন করেছেন যা অতীতে বা বর্তমানে কোন সময় দেখা যায় না। ইউনিয়ন, ওয়ার্ড নেতাকর্মীদেন উপজেলায় বসার কোন স্হান ছিলো না, তিনি তাদের কে বসার অবস্তান করে দিয়েছিলেন। সকল নেতাকর্মীদের মনের কথা শুনেছেন ও দলীয় ভাবে যা যা করনীয় তিনি উদ্যোগ গ্রহন করছেন। রুহী সাহেবের সময় দল ছিলো সাংগঠনিক, দলীয় নিদের্শনা সুন্দর সুষ্ট ভাবে পালন করা হতো।

১১তম জাতীয় সাংসদ নিবার্চন যতই ঘনীনিয়ে আসছে, ততই মানুষের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষা করা যাচ্ছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আগামী নিবার্চনে মুখ দেখে নয়, বিভিন্ন জরিপে শীর্ষ ব্যক্তিকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। দুর্গাপুর – কলমাকান্দা সাবির্ক জনজরিপ ও তৃণমুল নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে বুঝা যায়, আলহাজ্ব মোশতাক আহমেদ রুহী শীর্ষ স্হানে অবস্তান করছেন। উন্নয়নমুখী ব্যাক্তি্ত্ব সম্পন্ন সচ্চরিত্র কর্মী বান্দব নেতা হিসাবে পরিচিত।