ময়মনসিংহ সিটির কাউন্সিলর নির্বাচনে ১ থেকে ৩৩ ওয়ার্ডে যারা বিজয়ী

প্রকাশিতঃ 2:17 am | May 06, 2019 | ২৮

মো. মেরাজ উদ্দিন বাপ্পী, ময়মনসিংহ:  ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন ৫ই মে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম সিটি কর্পোররেশন নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিত্বে সিটি কর্পোরেশন প্রথম নির্বাচনে বিজয়ী ৩৩ টি সাধারণ ওয়ার্ডে ও ১১ টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

রবিবার সকাল আটটা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন শেষে টাউন হল অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে নির্বাচন কমিশন রিটানিং কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান সকল ওয়ার্ডের ফলাফল ঘোষনা করেন।

উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৪২জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৭০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মেয়র পদে কোনো প্রার্থী না থাকায় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সাবেক মেয়র ও কর্পোরেশন প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হন।

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও সফল ভাবে সম্পন্ন করতে সকল প্রস্তÍুতি গ্রহন করেছে নির্বাচন কমিশন। সকাল থেকেই ভোটার উপস্থিতি বেশ ভালো ছিল।
৩৩টি ওয়ার্ডে ১২৭টি ভোট কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৩৮ জন ভোটার রয়েছে।

নিরাপত্তায় প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ১০জন আনসার সদস্য ও তিনজন করে পুলিশ সদস্য থাকবে। পাশাপাশি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ঠ সকলের নিরাপত্তা ২২ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের পৃথক ৩৩টি মোবাইল টিম (প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে) এবং ১১টি স্ট্রাইকিং দল ছিল। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তিনজন অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও নির্বাচনকালীন সকল ধরণের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সাজা প্রদানে ১৬জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে ছিলেন।

১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু (ঘুড়ি) প্রতীকে ৩৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আবদুল ওয়াদুদ (লাটিম) প্রতীকে ১৩৮০ ভোট পেয়েছেন।

২ নম্বর ওয়ার্ডেমোঃ গোলাম রফিক দুুদু (মিষ্টি কুমড়া) প্রতীক নিয়ে ১৮১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম এম এ মতিন (টিফিন ক্যারিয়ার) প্রতীকে ১৫৯৩ ভোট পেয়েছেন।

৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো শরিফকুল ইসলাম (ঘুড়ি) প্রতীক নিয়ে ২৯৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম প্রতীকে মোঃ রফিকুল ইসলাম শাহিন (রেডিও) ৪২৯ ভোট পেয়েছেন।

৪ নম্বর ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মোঃ মাহবুবুর রহমান (দুলাল) ১৯১১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঠেলাগাড়ী প্রতীকে মোঃ রাসেল পাঠান ১৪৫৯ ভোট পেয়েছেন।

৫ নম্বর ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মোঃ নিয়াজ মোর্শেদ ১৩৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঠেলাগাড়ী প্রতীকে মোঃ মনিরুল ইসলাম ৮২৯ ভোট পেয়েছেন।

৬ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু ২২৫০৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রেডিও প্রতীকে মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান ১৩৭২ ভোট পেয়েছেন।

৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে ঘুড়ি প্রতীকে আসিফ হোসেন ডন ১৪৯০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম সঞ্জীব সরকার (ঝুড়ি) প্রতীকে ৮৯৮ভোট পেয়েছেন।

৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ী প্রতিক নিয়ে ফারুক হাসান ১৮৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রেডিও প্রতীকে বিকাশ সরকার ১৪৭৫ ভোট পেয়েছেন।

৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিক নিয়ে শীতল সরকার (মিষ্টি কুমড়া) ২২৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আল মাসুদ (ঠেলাগাড়ী) প্রতীকে ১৬৫৯ ভোট পেয়েছেন।

১০ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে মোঃ তাজুল ইসলাম ১৮২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম লাটিম প্রতীকে রতন চৌধুরী পন্ডিত ১৪৪৪ ভোট পেয়েছেন।

১১ নম্বর ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মোঃ ফরহাদ আলম ১৮৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঘুড়ি প্রতীকে খন্দকার আনিসুজ্জামান এলিছ ৪২৯ ভোট পেয়েছেন।

১২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে আনিসুর রহমান ২১০১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম লাটিম প্রতীকে হানিফ মোঃ ওয়ালিউল্লাহ ১৩৭৭ ভোট পেয়েছেন।

১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন ১৬২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঠেলাগাড়ি প্রতীকে মোঃ আব্বাস আলী তালুকদার ১২৬৫ ভোট পেয়েছেন।

১৪ নম্বর ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মোঃ ফজলুল হক ১৩৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঠেলাগাড়ি প্রতীকে মোঃ আাতিকুর হাসান মাসুম ১০৭২ ভোট পেয়েছেন।

১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে মোঃ মাহবুব আলম হেলাল ২০৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম লাটিম প্রতীকে মোঃ রফিকুল ইসলাম ১৫৬৪ ভোট পেয়েছেন।

১৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে১মোঃ আব্দুল মান্নান (ঘুড়ি) ১৯২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম শরাফ উদ্দিন (ঠেলাগাড়ী) প্রতীকে ১৫৭১ ভোট পেয়েছেন।

১৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ কামাল খান (টিফিন ক্যারিয়ার) প্রতীক নিয়ে ২০৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম মোঃ নজরুল ইসলাম (ঘুড়ি) প্রতীকে ১৮৩৭ ভোট পেয়েছেন।

১৮ নম্বর ওয়ার্ডে হাবিবুর রহমান হবি (ঠেলাগাড়ী প্রতীক নিয়ে ২৮১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম জামাল হোসেন রোজ (ঘুড়ি) প্রতীকে ২২১৫ ভোট পেয়েছেন।

১৯ নম্বর ওয়ার্ডে মিষ্টি কুমড়া প্রতীক নিয়ে মোঃ আব্বাস আলী মন্ডল ৩২০০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম করাত প্রতীকে মোঃ মাহবুবুর রহমান ২৫৯৭ ভোট পেয়েছেন।

২০ নম্বর ওয়ার্ডে লাঠিম প্রতীক নিয়ে মোঃ সিরাজুল ইসলাম ২১১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঘুড়ি প্রতীকে মোঃ সাইদুর রহমান তারু ১৪৫৫ ভোট পেয়েছেন।

২১ নম্বর ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীক নিয়ে মোঃ মোস্তফা ফারুক ৯৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঠেলাগাড়ি প্রতীকে মোঃ লাল মিয়া লাল্টু ৩৯৮ ভোট পেয়েছেন।

২২ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ মোস্তফা কামাল (ট্রাক্টর) প্রতীক নিয়ে ১০১১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আবুল হাসেম (ঠেলাগাড়ী) প্রতীকে ৬৩৯ ভোট পেয়েছেন।

২৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাব্বির ইউনুস (করাত) প্রতীক নিয়ে ১৭৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম মোঃ নাজমূল হাসান (ট্রাক্টর) প্রতীকে ৯৫৩ ভোট পেয়েছেন।

২৪ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ আমিনুল ইসলাম (টিফিন ক্যারিয়ার) প্রতীক নিয়ে ৯৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম৫মোঃ আসলাম হোসেন প্রতীকে (কাটা চামচ) ৫৫৬ ভোট পেয়েছেন।

২৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে মোঃ মনোয়ার হোসেন (টিফিন ক্যারিয়ার) ১১২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকট মোঃ উমর ফারুক প্রতীকে (মিষ্টি কুমড়া) ১০৩২ ভোট পেয়েছেন।

২৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে মোঃ শফিকুল ইসলাম (ঠেলাগাড়ী) ১৯৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম মমিন রুবেল (টিফিন ক্যারিয়ার) প্রতীকে ৭৯১ ভোট পেয়েছেন।

২৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ ছামছুল হক (ঠেলাগাড়ী) প্রতীক নিয়ে ১৯৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম মোঃ খাইরুল ইসলাম (টিফিন ক্যারিয়ার) প্রতীকে ১৪৭৮ ভোট পেয়েছেন।

২৯ নম্বর ওয়ার্ডে এয়ার কন্ডিশন প্রতীক নিয়ে মোঃ রফিকুল ইসলাম ১০২১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঝুড়ি প্রতীকে মোঃ আবুল হোসেন ৭০৯ ভোট পেয়েছেন।

২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে কায়সার জাহাঙ্গীর আকন্দ ১৯৩৫ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রেডিও প্রতীকে আপেল (ট্রাক্টর) ৮৩৩ ভোট পেয়েছেন।

৩০ নম্বর ওয়ার্ডে আবুল বাশার (ঠেলাগাড়ী) প্রতীক নিয়ে ১৫৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম শাহ আলম (এয়ারকন্ডিশনার) প্রতীকে ১০২৫ ভোট পেয়েছেন।

৩১ নম্বর ওয়ার্ডে টিফিন ক্যারিয়ার প্রতীক নিয়ে মোঃ আসাদুজ্জামান ৩১০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ট্রাক্টর প্রতীকে মোঃ সেলিম উদ্দিন ২৭৪৪ ভোট পেয়েছেন।

৩২ নম্বর ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীক নিয়ে মোঃ এমদাদুল হক মন্ডল ২৩৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম ঝুড়ি প্রতীকে আবু বক্কর সিদ্দিক ১৬১৩ ভোট পেয়েছেন।

৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ট্রাক্টর প্রতীক নিয়ে মোঃ শাহজাহান ৪৫১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম মিষ্টি ঘুড়ি প্রতীকে মোস্তফা কামাল ২২১১ ভোট পেয়েছেন।

১/২/৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সেলিনা আক্তার (ষ্টিল আলমারী) প্রতীক নিয়ে ৩৮০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আকিকুন নাহার (চশমা) প্রতীকে ৩৭৫২ ভোট পেয়েছেন।

৪/৫/৬ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে শাম্মী আক্তার মিতু ৪৮৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আনারস প্রতীকে খোদেজা আক্তার ৩২৭৫ ভোট পেয়েছেন।

৭/৮/৯ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে হামিদা পারভীন (বই) প্রতীক নিয়ে ৩৩০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আরতী গুপ্তা (ডলফিন) প্রতীকে ২৯৭০ ভোট পেয়েছেন।

১০/১১/১২ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে রোকসানা শিরিন (হেলিকপ্টার) ২৩১০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রীতা পাল (জিপ গাড়ী) প্রতীকে ২০০৭ ভোট পেয়েছেন।

১৩/১৪/১৫ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে রোকেয়া হোসেন ৪৫৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আনারশ প্রতীকে স্বপ্না খন্দকার ৩৪৬৩ ভোট পেয়েছেন।

১৬/১৭/১৮ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে রোকসানা পারভীন কাজল (বই) প্রতীক নিয়ে ৪৪০৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রানী বেগম (মোবাইল) প্রতীকে ৩৫৭৪ ভোট পেয়েছেন।

১৯/২০/২১ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে শামীমা আক্তার ৯৮৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম বই প্রতীকে ইসমত আরা বানু ৩৬৮৪ ভোট পেয়েছেন।

২২/২৩/২৪ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে শাহনাজ বেগম (বই) প্রতীক নিয়ে ৪৩০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম মোছাঃ হাজেরা খাতুন (আনারস) প্রতীকে ৩৮০৬ ভোট পেয়েছেন।

২৫/২৬/২৭ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আইরিন আক্তার (চশমা) ৪৯৬৪ প্রতীকে ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রিনা আক্তার (মোবাইল ফোন) প্রতীকে ভোট ৪৭৫৮ পেয়েছেন।

২৮/২৯/৩০ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউসার-ই-জান্নাত (মোবাইল ফোন) প্রতীক নিয়ে ৫১২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রেজিয়া খাতুন (আনারস) প্রতীকে ২৩৬৯ ভোট পেয়েছেন।

৩১/৩২/৩৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে মোছাঃ ফারজানা ববি কাকলী ৬৫৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম হেলিকপ্টার প্রতীকে মোছাঃ কুলসুম বেগম ৪৮৯৩ ভোট পেয়েছেন।

১/২/৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সেলিনা আক্তার (ষ্টিল আলমারী) প্রতীক নিয়ে ৩৮০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আকিকুন নাহার (চশমা) প্রতীকে ৩৭৫২ ভোট পেয়েছেন।

৪/৫/৬ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে শাম্মী আক্তার মিতু ৪৮৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আনারস প্রতীকে খোদেজা আক্তার ৩২৭৫ ভোট পেয়েছেন।

৭/৮/৯ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে হামিদা পারভীন (বই) প্রতীক নিয়ে ৩৩০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আরতী গুপ্তা (ডলফিন) প্রতীকে ২৯৭০ ভোট পেয়েছেন।

১০/১১/১২ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে রোকসানা শিরিন (হেলিকপ্টার) ২৩১০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রীতা পাল (জিপ গাড়ী) প্রতীকে ২০০৭ ভোট পেয়েছেন।

১৩/১৪/১৫ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে রোকেয়া হোসেন ৪৫৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম আনারশ প্রতীকে স্বপ্না খন্দকার ৩৪৬৩ ভোট পেয়েছেন।

১৬/১৭/১৮ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে রোকসানা পারভীন কাজল (বই) প্রতীক নিয়ে ৪৪০৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রানী বেগম (মোবাইল) প্রতীকে ৩৫৭৪ ভোট পেয়েছেন।

১৯/২০/২১ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে চশমা প্রতীক নিয়ে শামীমা আক্তার ৯৮৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম বই প্রতীকে ইসমত আরা বানু ৩৬৮৪ ভোট পেয়েছেন।

২২/২৩/২৪ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে শাহনাজ বেগম (বই) প্রতীক নিয়ে ৪৩০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম মোছাঃ হাজেরা খাতুন (আনারস) প্রতীকে ৩৮০৬ ভোট পেয়েছেন।

২৮/২৯/৩০ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউসার-ই-জান্নাত (মোবাইল ফোন) প্রতীক নিয়ে ৫১২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রেজিয়া খাতুন (আনারস) প্রতীকে ২৩৬৯ ভোট পেয়েছেন।

২৫/২৬/২৭ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে আইরিন আক্তার (চশমা) ৪৯৬৪ প্রতীকে ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম রিনা আক্তার (মোবাইল ফোন) প্রতীকে ভোট ৪৭৫৮ পেয়েছেন।

৩১/৩২/৩৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বই প্রতীক নিয়ে মোছাঃ ফারজানা ববি কাকলী ৬৫৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁর নিকটতম হেলিকপ্টার প্রতীকে মোছাঃ কুলসুম বেগম ৪৮৯৩ ভোট পেয়েছেন।