৪নং ওয়ার্ডে প্রতিশ্রুতিশীল কাউন্সিলর প্রার্থী রাসেল পাঠান

প্রকাশিতঃ 9:24 am | April 22, 2019 | ২৯৮


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ময়মনসিংহ : নবগঠিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সবাই ভোটের মাঠে নেমেছেন। এতে নির্বাচনী উৎসবে মেতে উঠেছে ময়মনসিংহ নগরীর পাড়া-মহল্লা। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করে আগামী ৫ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।

আগামী ৫ মে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত নির্বাচনে মেয়র ছাড়া অন্য পদগুলোতে ভোট হবে। ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে ১৩০টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। সবগুলো কেন্দ্রেই ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

নবগঠিত ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ভিপি মোঃ রাসেল পাঠান ৫ মে ঠেলাগাড়ি প্রতীকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। ইতিমধ্যে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ছুটে বেড়াচ্ছেন প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে ভোট প্রত্যাশায়। তবে ওয়ার্ডবাসীর মাঝে ঠেলাগাড়ি প্রতীকের পক্ষে আলোচনা জোরদার রয়েছে। ভোটারদের কাছে জনমতে এগিয়ে রয়েছেন রাসেল পাঠান। নির্বাচন উপলক্ষে ৪ নং ওয়ার্ডের চায়ের দোকান, অলিগলি, পাড়া-মহল্লায় ঠেলাগাড়ির প্রচার-প্রচারণায় বইছে নির্বাচনী আমেজ।

কাউন্সিলর প্রার্থী ভিপি মোঃ রাসেল পাঠান বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত একটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নাগরিক সকল সুবিধাসম্পন্ন ওয়ার্ড হিসাবে ৪নং ওয়ার্ডকে গড়ে তুলতে চাই। নগরভবনে এ ওয়ার্ডের জন্য রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে এলাকাবাসীর সুচিন্তিত রায় পাব বলে আশাবাদী।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল ময়মনসিংহ পৌরসভাকে দেশের ১২তম সিটি কর্পোরেশন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই বছরের ১৪ অক্টোবর ভৌগলিক সীমানা নির্ধারণ করে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের গেজেট প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে এ সিটি গঠিত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের গেজেট অনুযায়ী, ময়মনসিংহ টাউন, গোহাইলকান্দি, গলগণ্ডা, বলাশপুর, কাশর, ভাটিকাশর, সেহরা, কৃষ্ণপুর, কেওয়াটখালী, চকছত্রপুর, রাক্তা, ঢোলাদিয়া, মাসকান্দা, বয়রা ভালুকা, ছত্রপুর, আকুয়া, বাড়েরা, কল্লা, চরসেহড়া, হাসিখালী, বাদেকল্পা, বাইসাখাই, খাগডহর, সুতিয়াখালী, রহমতপুর, কিসমত, বেলতলী, দাপুনিয়া, চরঈশ্বরদিয়া, গোবিন্দপুর, চররঘুরামপুর ও জেলখানার চরমৌজা নিয়ে সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। এ সিটির আয়তন প্রায় ৯০ বর্গ কিলোমিটার।